অর্থ ও বাণিজ্য ২৪ নভেম্বর, ২০২০ ০৩:৪৬

যে কারণে দেশের কমলা চাষিরা পিছিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে কমলা চাষ করে ভাগ্য বদলের সম্ভবনা থাকলেও নানা কারণে পিছিয়ে আছেন চাষিরা। ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা, সেচ সুবিধার অভাব, উন্নত প্রযুক্তি এবং ভালো চারা ও কীটনাশকের অভাবকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছরে জুড়ীতে ৯১ হেক্টর জমিতে কমলা চাষ হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টি না হওয়ায় এবার কমলার ফলন কিছুটা কম। যার ফলে উত্পাদিত কমলার মূল্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা।

দেশীয় কমলার পুষ্টিগুণ ও কমলাচাষিদের স্বার্থ রক্ষার্থে বিদেশি কমলা আমদানি পিছানোর দাবি জানায় কমলাচাষিরা। উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, সেচসহ প্রযুক্তিগত পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা ও সরকারের সহযোগিতা পেলে জুড়ী উপজেলাসহ বৃহত্তর সিলেটে উত্পাদিত কমলা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানির সুযোগ রয়েছে বলে জানান তাঁরা।

কমলাচাষি জয়নুল বলেন, দেশীয় কমলা পরিপক্ক হয়ে বাজারজাত হবার আগেই বিদেশি কমলা দেশের বাজার দখল করে নেয়। এতে আমরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ার আগে কিছুটা অপরিপক্ক থাকতেই কমলা বিক্রি করে দেই। যার জন্য ফলের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ ঠিক থাকে না।

কৃষি কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন বলেন, বৃষ্টি হতে দেরি হওয়া এবং সেচ সুবিধা না থাকায় এবার ফল কিছু কম হয়েছে। জুড়ীতে কমলার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এখানকার কমলাচাষিরা বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন। দ্রুততম সময়ে কমলাচাষিদের সমস্যা ও সম্ভাবনা বিষয়ে সেমিনারের আয়োজন করে পর্যায়ক্রমে তাদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।