অর্থ ও বাণিজ্য ৪ নভেম্বর, ২০২০ ০৯:১৮

খালাসের অপেক্ষায় ৫ হাজার টন দাহ্যপদার্থ

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম, বেনাপোল ও বাংলাবান্ধা এই তিন বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় মজুদ রয়েছে চার হাজার ৯৭৪ মেট্রিক টন দাহ্য, বিস্ফোরক ও বিপদজনক পণ্য। 

এর মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে ৬৭৮ মেট্রিক টন, বেনাপোল স্থল বন্দরে ৪ হাজার ২৬৯ দশমিক ৩৯ মেট্রিক টন এবং বাংলাবান্ধা স্থল বন্দরে ৭ দশমিক ৬ মেট্রিক টন দাহ্য, বিস্ফোরক ও বিপদজনক পণ্য সংরক্ষিত রয়েছে। 

মোংলা বন্দরে চলতি বছরের ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৭ দশমিক ২ কেজি বিপদজনক পণ্য খালাস করা হয়েছে। এ বন্দরে আপাতত কোনও বিপদজনক পণ্য সংরক্ষিত নেই।

আজ বুধবার সচিবালয়ে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশের সমুদ্রবন্দর ও স্থলবন্দরসমূহের দাহ্য, বিস্ফোরক ও বিপদজনক দ্রব্যাদি নিরাপদ পরিবহন, হ্যান্ডলিং ও রক্ষণাবেক্ষণে সতকর্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

সভায় আরও জানানো হয়, বিপদজনক মালামাল হ্যান্ডলিংয়ের ক্ষেত্রে সমস্যাগুলো দূর করতে চট্টগ্রাম বন্দর বিদ্যমান দাহ্য, বিস্ফোরক ও বিপদজনক পণ্য সংরক্ষণ শেড অর্থাৎ ‘পি-শেডটি’ সংস্কার, সেখানে ২৪ ঘণ্টা ফায়ার সার্ভিস ব্যবস্থা, উক্ত শেডে প্রবেশ ও বাহির সংরক্ষণ, বিপদজনক পণ্য সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণসহ যুগোপযোগী একটি নতুন শেড নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

উক্ত সভায় নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শেখ আবুল কালাম আজাদ, মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান, বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কে এম তারিকুল ইসলাম, নৌ পরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমডোর আবু জাফর মো. জালালউদ্দিন সহ চট্টগ্রাম, মোংলা, বেনাপোল ও ঢাকা আইসিডির কাস্টমস কমিশনাররা সরাসরি ও অনলাইনে সভায় উপস্থিত ছিলেন।